.,

রেশম কাপড়ের চাহিদা কেমন

 রেশম কাপড়ের চাহিদা কেমন    




রেশম কাপুর এর যদি জানতে চান তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন রেশম কাপড় দা নিয়ে মানুষের অনেক ভুল ধারণা থাকে সেগুলো আমরা আপনাদেরকে আজকে ধাপে ধাপে জানিয়ে দেব চলুন সেগুলো নিচে দেখা যাক। 


রেশম কাপড় নিয়ে মানুষের অনেক ভুল ধারণা আছে, যেমন রেসন কাপড় মানে যে অনেক দামি তা নয়, আবার কাপড় মানেই যে ১০০% খাঁটি তাও নয় রেশম শাড়ির জন্য ব্যবহার হয় তা নয়,রেশন কাপড় মানে শুধু বয়স্কের পোশাক তা নয়।

পেজ সূচিপত্রঃ রেশম কাপড়ের চাহিদা কেমন 

রেশম কাপড়ে চাহিদা কেমন 

রেশম কাপড়ের চাহিদা বর্তমানে দেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। কারন অনেক ধরনের গুণ থাকার কারণে দেশের বাজারে রেশন কাপড়ে চাহিদা প্রচুর পরিমাণ বেড়েছে। বর্তমানে দেশের রেশম এর চেয়ে চীনের তৈরি রেশম পোশাকের চাহিদা অনেক বেশি। চীনা কারিগরি গুলো দুঃখ হওয়ার কারণে এবং এই কাপড় গুলোর কোয়ালিটি বাংলাদেশের থেকে ভাল হওয়ায় বাংলাদেশের চেয়ে চীনা রেশম কাপড়ের চাহিদা বেশি এবং বাজারে সহজলভ্য হওয়ায় এর চাহিদা আরো বেশি 

রেশম কাপুরের চাহিদা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই রেশম কাপড়ের রাজশাহীর মাটিতে বেশি হয়, যার কারণে রাজশাহীতে সিল্কসিটি আখ্যায়িত করা আছে। বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেশম চাষ হয় রাজশাহীর মাটিতে যার কারনে রাজশাহীর বিখ্যাত রেশন এর জন্য। রেশন কাপড় রাজশাহী শহরের চাহিদা মিটানোর পর দেশের রেশম কাপড় বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানি করা হয়। 

রেশম কাপড়ের চাহিদা বেশি থাকে বিশেষ করে যে কোনো উৎসবে আন্তর্জাতিক বাজারেও এর অনেক খ্যাতি আছে যা দেশ ছাড়িয়ে বিদেশে রপ্তানি করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে রেশম এর প্রোডাক্ট এর চাহিদা অনেক বেশি। কিন্তু রেশন কাপড়ের সমস্যা হল এর দাম অনেক বেশি হওার কারণে সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাহিরে থাকে। একটি সমস্যা বলে গণ্য করা হয় 

রেশম কাপড়ে চাহিদা কেন এত বেশি 

রেশম কাপড়ের চাহিদা সুধু সৌন্দর্যর জন্য নয, বরং এর গুনোগত মান, আরাম, টেকসই হওয়াই এবং ঐতিহ্যের কারনে রেশম কাপড়ের চাহিদা বেশি। রেশম কাপড় এতোটাই নরম যে এটি পরিধান করলে অনেক হালকা অনুভাব হয়।আর বেশিখন  পরে থাকলেও এই কাপড় অসস্খিহয না।আর রেশম কাপড় অন্য কাপড়ের চেয়ে অনেক চকচকে হয়।এই প্রকৃতিক সুন্দরর্য়র কারনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রেশম কাপড়ের চাহিদা বেশি হয়

যেমন,ঈদ,পুজা ও অন্যান্য ইত্যাদি অনুষ্ঠানে রেশম কাপড়ের চাহিদা বেশি থাকে। রেশম কাপড় একটি  প্রাকৃতিক তন্তু দিয়ে  তৈরি হওয়ায় রেশম কাপড় পরিবেশের সাথে খাপ খাই এবং ভালোভাবে যত্ন নিলে এর রং এবং কাপড়ের সৌন্দর্য দিন পর্যন্ত ভালো থাকে। বিশেষ করে বাংলাদেশের রাজশাহী রেশম কাপড় দেশ বিদেশে অনেক সুনাম অর্জন করেছে।

রেশম কাপড়ের মান ও নিখুঁত বুনন  এর কারণে মানুষের মাঝে একটি আস্থার জায়গা রাজশাহীর রেশন কাপড়। পরিশেষে রেশম কাপড়ের সৌন্দর্য আরাম গুণ প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বের কারণে রেশম কাপড়ের চাহিদা বেশি। আর এই কারণে রেশম কাপড়ের মানুষের  পছন্দের অন্যতম মূল্যবান  কাপড় হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে রেশম কাপড় 

রেশম কাপুড় কেন ব্যবহার করবেন

রেশম কাপড় দেখতে খুব সুন্দর পরতেও অনেক আরাম লাগে কাপড় অনেক নরম আর মসৃণ হয়। রেশম কাপড় গায়ে পড়লে অনেক ভালো লাগে আর একটি আরামদায়ক অনুভব লাগে। বিশেষ করে অনেক বিয়ে ঈদ পূজা বা অন্য যে কোন অনুষ্ঠানে রেশন কাপড়ের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। রেশম কাপড় দেখতে অনেক চকচকে হয় আর রেশম কাপড় গায়েব পড়লে সুন্দর একটা ভাব আসে।

রেশম কাপড় দিয়ে অনেক কিছু বানানো যায় যেমন শাড়ি পাঞ্জাবি থ্রি পিস ওড়না আরো অনেক ধরনের বানানো যায়। আর আপনার মনে যেমন চাই তেমন পছন্দ অনুযায়ী রং ও ডিজাইন বানিয়ে নেওয়া যায়। আর রেশম কাপড়ের ভালো দিক হলো এটি খুব নরম ভালো মানের রেশম কাপড় পড়লে খুব আরামদায়ক অনুভব হয়।

তাই বেশিরভাগ মানুষ যেকোনো অনুষ্ঠানে রেশম কাপড় বেছে নেই। কিন্তু রেশম কাপড় কিনতে হলে একটু দেখেশুনে কিনতে হবে কারণ কাপড় ভালো কিনা রং ঠিক আছে কিনা তা দেখে কেনা উচিত। আর সবশেষে বলা যায় সুন্দর নরম আর একটু আরামদায়ক পোশাক এবং একটু দামী ধরনের পোশাক কিনতে চাইলে রেশন কাপড় হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। 

রেশম কাপড় কি 

রেশম কাপড় হলো এক ধরনের নরম ও মসৃণ কাপড়।রেশম কাপড় সাধারণত রেশম পোকার তৈরি সুতা থেকে তৈরি পোশাককে রেশম কাপড় বলে। রেশম কাপড় মানে চকচকে আর একটু স্বাভাবিক রং থাকে। তবে জেনে রাখা ভালো সব রেশম কাপড়ের  মান এক রকম হয় না। তাই রেশম কাপড় কেনার সময়,


 এর মান সুতা ও তৈরি করার ধরন ভালোভাবে দেখে নিলে আর কোন ধরনের সমস্যা হয় না। তাই বলা যায় রেশম কাপড় নরম মসৃণ সুতার তৈরি কাপড়কে রেশম কাপড় বলে।বিশেষ করে রেশম কাপড় সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে থাকে। কারণ রেশম কাপড়ের বাজার মূল্য সাধারণ কাপড়ের চেয়ে অনেক বেশি তাই রেশম খবর সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে থাকে। 

রেশম কাপড় কিভাবে তৈরি হয়

রেশম কাপড় পাওয়া যায় মূলত রেশম পোকা থেকে পাওয়া যে সুতা সেই সুতা থেকে যে কাপড় পাওয়া যায় তাকে রেশম কাপড় বলে। মূলত রেশম পোকার জীবনচক্রে এমন একটি সময় আসে সেই সময় রেশম পোকা তার চারিপাশে সুতা দিয়ে একটি গুটি তৈরি করে। তখন এই গুটি রেশম পোশাক তৈরীর কাজে ব্যবহার করা হয় প্রথমত রেশম প্রকার গুটি সংগ্রহ করা হয়।

 তারপর গুটি গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয়। গরম পানিতে গুটি ভিজিয়ে রাখার কারণে গুটির ভিতরে থাকা সুতোগুলো আলগা হয়ে যায়। তারপর রেশমের গুটির ভেতরে থাকা সুতোগুলোকে খুব সাবধানে বের করে নেওয়া হয়। একটি রেশম এর গুটি থেকে পাওয়া সুতো খুব চিকন হয় তাই কয়েকটি রেশমের গুটির সুতোগুলো একসাথে পাকিয়ে নিয়ে ব্যবহারের যোগ্য করে নেওয়া হয়। 

তারপর সুতোগুলোকে পরিষ্কার করে প্রয়োজন অনুযায়ী রং করা হয়। সবশেষে রেশম এর সুতা তাঁত বা মেশিন দিয়ে ভালোভাবে বুনিয়ে নেওয়া হয়। এইভাবে আস্তে আস্তে সুন্দর একটি রেশম কাপড় তৈরি করা হয়। রেশন কাপড় তৈরি করতে অনেক কষ্ট আর অনেক সময় লাগে আর এই কারণে ভালো মানের রেশম কাপড়ের দাম সব সময় বেশি থাকে। 

রেশম কাপড় কেন এত দামি 

রেশম কাপড় অন্যান্য কাপড়ের মত সহজেই তৈরি করা যায় না। রেশম কাপড় তৈরি হলে সোম পোকার গুটি থেকে সুতা গুলো গরম পানিতে ভিজিয়ে খুব কয়েকটি রেশম পোকার গুটি একসাথে করে ব্যবহার যোগ্য করে তোলে রেশম কাপড় কি করা হয়।

 আর রেশম কাপড় তৈরি করতে অনেক সময় আর কঠিন পরিশ্রমের প্রয়োজন হয়। এই কারণে বাজারে সাধারণ কাপড়ের চেয়ে রেশম কাপড়ের দাম অনেক বেশি থাকে। এছাড়াও রেশম কাপড় তৈরি করতে ভালো মানের সুতা দক্ষ কারিগর এবং অনেক যত্ন প্রয়োজন হয়।

 সব মিলিয়ে দেখা যায় রেশম পোকার উৎপাদন ও রেশম কাপড়ের উৎপাদন করতে অনেক খরচ হয়ে যায় আর অনেক কষ্ট আর অনেক সময় এর প্রয়োজন হয়। আর এই বিশেষ কারণে রেশম কাপড়ের দাম সাধারণ কাপড়ের চেয়ে অনেক বেশি হয়ে থাকে। আর রেশম কাপড়ের চাহিদা বাজারে অনেক বেশি থাকে। 

রেশম কাপড় দেখতে কেমন 

রেশম কাপড় দেখতে অনেক সুন্দর আর রেশম কাপড় দেখতে অনেক চকচকে এবং গায়ে পড়লে  কাপড়ের মসৃণ আর নরম হওয়ার কারণে আরাম দায়ক লাগে। রেশম কাপড় গায়ে পরলে তার ওপর আলো পড়লে অনেক চকচকে আর ঝিলমিল করে। রেশম কাপড়ের রং অন্যান্য কাপড়ের চেয়ে অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়।



রেশম কাপড়ের আর একটা ভালো দিক হল তে যেমন সুন্দর আর ছুতেও অনেক ভালো লাগে। তবে বলা যায় রেশম কাপড় সাধারণ কাপড়ের চেয়ে একটু বেশি যত্ন করে ব্যবহার করতে হয়। আর সব শেষে রেশম কাপড় নরম মসৃণ ও চকচকে হওয়ার জন্য রেশম কাপড় মানুষের পছন্দের সবার উপরে থাকে।

রেশম কাপড় দেখতে বাজারের অন্য যেকোনো কাপড়ের চেয়ে বেশি চকচকে হয়। এইজন্য বিয়ে ঈদ পূজা ইত্যাদি অনুষ্ঠানে রেশম কাপড় এর চাহিদা বেশি থাকে। রেশন কাপড় এর চাহিদা বাজারে সব সময় বেশি থাকে আর রেশন কাপড় তৈরি করতে অনেক কঠিন পরিশ্রম আর সময়ের প্রয়োজন হয় এইজন্য রেশম কাপড়ের দাম বেশি থাকে। 

রেশম কাপড় দিয়ে কি কি তৈরি করা যায় 

রেশম কাপড় দিয়ে অনেক ধরনের জিনিস বানানো যায়। মূলত রেশম কাপড় দিয়ে শাড়ি ভালো বানানো যায়। কারণ বিশেষ করে বিয়ে ঈদ পূজা ইত্যাদি অনুষ্ঠানে রেশম কাপড়ের তৈরি শাড়ির চাহিদা বেশি থাকে দেখতে চকচকে হওয়ায়  রেশম কাপড় মানুষের চাহিদার সবার উপরে থাকে। এছাড়াও রেশম কাপড় দিয়ে অনেক কিছু বানানো যায় যেমন সালোয়ার কামিজ থ্রি পিস ব্লাউজ ওড়না ইত্যাদি বানানো যায়।

 পোকার ভেদে যেমন পুরুষদের জন্য পাঞ্জাবি শেরওয়ানি ফতুয়া ইত্যাদি তৈরি করা হয়। আবার মেয়েদের জন্য যেমন জামা স্কাপ ওড়না ও বিভিন্ন ধরনের পার্টির পোশাক তৈরি করা হয়। রেশন কাপড় দিয়ে শুধু পোশাক নয় আরো অনেক কিছু বানানো যায় বিছানার চাদর বালিশের কাভার ও বিভিন্ন ধরনের সাজ সাজ্জার জিনিস তৈরি করা হয়।

আবার অনেকেই ঘর সাজানোর জন্য রেশম কাপড় ব্যবহার করে থাকে। এছাড়াও পুরুষ ও মহিলাদের জন্য আরো বিভিন্ন ধরনের আকর্ষণীয় পোশাক তৈরি করা হয় রেশম কাপড় দিয়ে। কারো যদি একটু দামি চকচকে রংয়ের পোশাক প্রয়োজন প্রয়োজন হয় তাহলে রেশম কাপড় হতে পারে আপনার জন্য সেরা কাপড়। 

রেশম কাপড়ের সতর্কতা 

রেশম কাপড় দেখতে যেমন সুন্দর ও নরম হয় তেমনি রেশম কাপড় ব্যবহার করার সময় একটু বেশি যত্ন নিতে হয়। সাধারণ কাপড়ের মত যেইভাবে ইচ্ছা সেইভাবে ধোঁয়া বা ব্যবহার করা উচিত নয় এতে কাপড়ে সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। 

রেশম কাপড়ের ব্যবহারের কিছু নির্দেশনা রয়েছে যেমন 

  • রেশন কাপড় বেশি গরম পানি দিয়ে ধোয়া যাবেনা।
  •  শক্ত করে বা ঘষাঘষি করে ধোয়া যাবেনা।
  •  পানি দিয়ে হালকাভাবে পরিষ্কার করতে হবে।
  •  রেশম কাপড় সহজে দাগ পড়ে যায়।
  •  কোন খাবারের তেল বা তরল জিনিস পড়লে খুব তাড়াতাড়ি পরিষ্কার করতে হবে। 
  • বেশি গরম পানি দিয়ে করলে কাপড় নষ্ট হয়ে যায়।
  •  রেশম কাপড় গুছিয়ে রাখার সময় পরিষ্কার আর শুকনো জায়গায় রাখতে হবে।
  •  অনেকদিন ব্যবহার না করলে মাঝে মাঝে বের করে বাতাস লাগিয়ে নিতে হবে।
  •  ভেজা অবস্থায় কখনো রেশন কাপড় ভাত দিয়ে রাখা যাবে না। 
  • রেশম কাপড় স্ত্রী করার সময় উপরে অন্য একটি কাপড় দিয়ে স্ত্রী করতে হবে। 

রেশম কাপড় ব্যবহার করতে হলে এই গুলো মাথায় রেখে ব্যবহার করতে হবে আর রেশম কাপড় বেশি দিন ভালোভাবে রাখতে হলে এই নির্দেশনা গুলি মেনে আপনাকে ব্যবহার করতে হবে। 

শেষ কথা  

রেশম কাপড় সব মিলিয়ে আমাদের খুবই সুন্দর ও পছন্দের একটি কাপড়। এর নরম অনুভূতি মসৃণতা আর চকচকে চেহারার কারণে অনেক মানুষ রেশম কাপড় পছন্দ করে। বিশেষ করে ঈদ বিয়ে পূজা ইত্যাদি অনুষ্ঠানে রেশম কাপড়ের চাহিদা বেশি দেখা যায়।

রেশম কাপড় দেখতে সুন্দর হওয়ার পাশাপাশি নিজেকে পড়লেও একটু আলাদা আকর্ষণীয় মনে হয়। রেশম কাপড় ব্যবহার করার সময় কিছুটা যত্ন নিতে হবে। সঠিকভাবে ধোয়া শুকনো সংরক্ষণ করলে রেশম কাপড় অনেকদিন ব্যবহার করা যায়।

সবশেষে বলা যায় রেশম কাপড় একটি সুন্দর কাপড়ই নয় এর সঙ্গে আমাদের ঐতিহ্য কুসংস্কৃতির একটা সম্পর্ক রয়েছে। তাই সঠিকভাবে যত্ন ও ব্যবহার করলে রেশম কাপড় দীর্ঘদিন ও ভালো রাখা যায়। 



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url